মঙ্গলবার, ১৬ Jun ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
ছবি- সংগৃহীত। ডেস্ক সংবাদ.
ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা আসলে যেসব দেশ নিয়ে বাংলাদেশের ভক্তরা যেসব দেশ নিয়ে বেশি আলোচনা বা মাতামাতি করে, তার অন্যতম একটি আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনার জন্য এই ভালোবাসা ডিয়েগো ম্যারাডোনার জন্য, এর শুরুটা হয়েছিল ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলে।
পরে এর বাঁধভাঙ্গা রুপ দৃশ্যমান হয় চার বছর পর ইতালি বিশ্বকাপে। সেবার বেশ দুর্বল একটা দল নিয়েই ফাইনাল পর্যন্ত উঠে যায় ম্যারাডোনার আলবিসেলেস্তরা। কিন্তু, সেইদিন মেক্সিকোর রেফারি এদগার্দো কোডেসাল খেলার ৮৫ মিনিটে একটি বিতর্কিত পেনাল্টি দিলে তা থেকে খেলার একমাত্র গোলটি দেন পশ্চিম জার্মানীর আন্দ্রেস ব্রেহমে। ম্যারাডোনার টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।
ঠিক ৩৬ বছর পর ম্যারাডোনার উত্তরসূরি মেসির সামনে সুযোগ এসেছে ম্যারাডোনা যা পারেননি তা করার। টানা দুইটা বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ। বিশ্বকাপ চলাকালে ৩৯ বছর পূর্ণ করা মেসির জন্য এই বিশ্বকাপটি প্রায় নিশ্চিত ভাবেই শেষ আসর বলে ধারণা করা যায়।
বিশ্ব ইতিহাসে এই দুই আর্জেন্টাইনের সাথে আরেকটা নাম অবধারিতভাবে আসবে। আর্জেন্টাইনদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের পেলে। সেই ১৯৬২ সালে বিশ্বকাপ জিতে পেলে টানা দুই আসরে জয়ী দলে থাকার গৌরব অর্জন করেন। আর ১৯৭০ সালে তৃতীয়বারে মতো জিতে নিজ দেশের জন্য আজীবনের মতো অর্জন করেন জুলে রিমে ট্রফি।
ফলে, এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকেরা তো বটেই, গোটা দুনিয়ার ফুটবল সমর্থকদের আগ্রহ থাকবে এই প্রশ্ন নিয়ে যে, আর্জেন্টিনা কি পারবে টানা দুইটা বিশ্বকাপ জিততে?
ইতিহাসেই এই ঘটনা মাত্র দুইবার ঘটেছিলো। পেলের ব্রাজিল আর সেই ৩০ এর দশকে ইতালি তা করতে পেরেছিলো। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আর তৃতীয় আসর জেতা ইতালির কোচ ছিলেন ভিত্তোরিও পোজো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে অংশগ্রহণ করা দুর্দান্ত ট্যাকটিশিয়ান বিশ্বকাপ ইতিহাসের একমাত্র কোচ যিনি টানা দুইবার বিশ্বকাপ জিতেছেন।
তথ্য সূত্রঃ বিবিসি বাংলা।